চেন্নাই সুপার কিংস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ানসঃ
ম্যাচের শুরুটা বল হাতে
করেছিলেন নূর,
আর
শেষটা
করেন
সদ্য
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির
সেরা
খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া
রচিন
রবীন্দ্র। ম্যাচে
দুই
দলেরই
কিছু
ছোট
ছোট
ইনিংস
থাকলেও,
সেগুলোর মধ্যে
কোনোটি
ম্যাচের ভাগ্য
পরিবর্তন করতে
পারেনি। দ্বিতীয় ওভারেই
ত্রিপাঠী আউট
হয়ে
গেলে
চেন্নাই সুপার
কিংস
(CSK) কোনো
ধরনের
রক্ষণাত্মক মানসিকতা দেখায়নি। বরং
পাওয়ারপ্লের সুবিধা
কাজে
লাগিয়ে
মাত্র
৭
ওভারে
৭৪/১ রান তোলে।
এর
মধ্যে
গায়কোয়াড় একাই
৫০
রান
করেন,
আর
রচিন
রবীন্দ্র তাকে
সঙ্গ
দেন।
অষ্টম ওভারে অধিনায়ক আউট
হয়ে
যাওয়ার
পর,
রচিন
ধৈর্য
ধরে
দলের
জন্য
ম্যাচ
শেষ
পর্যন্ত টেনে
নেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেন।
অন্যদিকে, মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের (MI) হয়ে
অভিষিক্ত বীণেশ
পুথুর
তার
প্রথম
৩
ওভারে
৩টি
গুরুত্বপূর্ণ উইকেট
তুলে
নেন,
যা
ম্যাচে
তাদের
আশা
জিইয়ে
রাখে।
তবে
রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পর,
লক্ষ্য
কখনোই
চেন্নাইয়ের জন্য
কঠিন
হয়ে
ওঠেনি।
তার
ব্যাটিং ঝড়ের
সামনে
মুম্বাইয়ের বোলাররা অসহায়
হয়ে
পড়ে।
ম্যাচ শেষে মুম্বাই অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব
স্বীকার করেন
যে
তার
দল
১৫-২০ রান কম
করেছিল। তবে
দলের
লড়াইয়ের প্রশংসা করে
তিনি
বলেন,
"আমাদের
স্কাউট
দল
১০
মাস
ধরে
কাজ
করে
এবং
নতুন
প্রতিভা খুঁজে
বের
করে।
পুথুর
তার
প্রতিভার পরিচয়
দিয়েছে। আমি
তার
জন্য
শেষ
দিকে
এক
ওভার
রেখে
দিয়েছিলাম, কিন্তু
১৮তম
ওভারে
তাকে
বল
দেওয়া
একেবারেই সহজ
সিদ্ধান্ত ছিল।"
পাশাপাশি, তিনি
রুতুরাজের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে
বলেন,
তার
অসাধারণ স্ট্রাইক রেট
ম্যাচের মোড়
ঘুরিয়ে
দিয়েছে।
জয়ের পর রচিন
রবীন্দ্র বলেন,
"মুম্বাই আমাদের
জন্য
কাজটা
কঠিন
করে
তুলেছিল, তারা
ভালো
লেন্থে
বল
করছিল
এবং
মাঝের
ওভারগুলোতে আমাদের
চাপে
রাখছিল। তবে
আমাদের
শেষের
দিকে
শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ
ছিল,
যা
কাজে
লেগেছে। রুতুরাজ দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে,
সে
২০০
স্ট্রাইক রেটে
খেলেছে,
কিন্তু
একদম
স্বাভাবিকভাবে।" এছাড়া, পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজে
মাথায়
আঘাত
পাওয়া
প্রসঙ্গে তিনি
বলেন,
"এটা
একটা
দুর্ঘটনা ছিল,
তবে
নিউজিল্যান্ড স্টাফদের প্রতি
আমি
কৃতজ্ঞ।"
এই জয়ের মাধ্যমে চেন্নাই সুপার
কিংস
তাদের
শক্তিমত্তার আরও
একবার
প্রমাণ
দিলো।
মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের জন্য
ম্যাচটি হতাশাজনক হলেও,
নতুন
প্রতিভাদের পারফরম্যান্স তাদের
জন্য
ভবিষ্যতের জন্য
আশা
জাগাচ্ছে।
0 Comments