সাকিব আল হাসানের অবৈধ বোলিং অ্যাকশনঃ
সাকিব আল হাসান, যাঁর ক্রিকেটীয় প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, সেই তিনিই সম্প্রতি বোলিং নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে সারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের ক্রিকেটে বোলিং করা থেকে নিষিদ্ধ হন তিনি। চেন্নাইয়ে টেস্ট দিয়েও সফল হতে না পারায় তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের লাফবোরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে সেই শঙ্কা কেটে গেছে। ৯ মার্চ দেওয়া পরীক্ষার রিপোর্টে সাকিবের বোলিং অ্যাকশনকে ত্রুটিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরে
পেয়েছেন সাকিব।
তাঁর
মতে,
বোলিং
অ্যাকশনের সমস্যাটি ঠিক
করার
বিষয়টি
ঠিক
গাড়ির
খারাপ
হয়ে
যাওয়া
পার্টস
মেরামত
করার
মতো।
তিনি
বিশ্বাস রাখতেন
যে
এটি
শুধুমাত্র একটি
সাময়িক
সমস্যা,
যা
সমাধান
করা
সম্ভব।
তবে
যখন
তাঁর
বোলিং
ভিডিও
দেখে
সন্দেহজনক মনে
হয়েছিল,
তখন
তিনিও
বুঝতে
পারেন
যে
সমস্যা
রয়েছে।
তাঁর
মতে,
অতিরিক্ত খেলার
ধকল,
আঙুল
ও
কাঁধের
ব্যথা
এবং
টানা
ম্যাচ
খেলার
ক্লান্তিই হয়তো
বোলিংয়ে ত্রুটি
সৃষ্টি
করেছিল। তিনি
প্রথম
শ্রেণির ক্রিকেটে এত
ওভার
আগে
কখনো
বোলিং
করেননি,
তাই
এটি
স্বাভাবিকভাবেই শরীরে
প্রভাব
ফেলেছে।
সাকিব এ নিয়ে
হতাশ
ছিলেন
না,
তবে
স্বাভাবিকভাবেই এটি
তাঁর
জন্য
কঠিন
একটি
সময়
ছিল।
শ্রীলঙ্কায় এলপিএল
খেলতে
যাওয়ার
পর
যখন
বলা
হলো
তিনি
বোলিং
করতে
পারবেন
না,
তখনই
তিনি
বিষয়টি
আরও
গভীরভাবে বোঝার
চেষ্টা
করেন।
তাঁর
মতে,
চেন্নাইয়ের টেস্টের আগে
যদি
আরও
কিছু
সময়
পেতেন,
তাহলে
হয়তো
তখনই
এই
সমস্যা
কাটিয়ে
উঠতে
পারতেন। তবে
তিনি
মনে
করেন,
সেই
টেস্টের সময়
পরীক্ষার সরঞ্জামাদি পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল
না,
এবং
হয়তো
সেখানেও কিছুটা
তাড়াহুড়া করা
হয়েছিল।
এই নিষেধাজ্ঞার সময়ে
তিনি
ধৈর্য
ধরে
নিজের
কাজ
করে
গেছেন
এবং
ধীরে
ধীরে
সমস্যার সমাধান
খুঁজেছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছেন, সারে
কাউন্টির প্রধান
কোচ
গ্যারেথ বেটি
আন্তরিকভাবে তাঁকে
সাহায্য করেছেন। তাঁকে
যখনই
প্রয়োজন হয়েছে,
সারে
তাঁকে
স্বাগত
জানিয়েছে এবং
তাঁর
উন্নতির জন্য
কাজ
করেছে।
সাকিবও
সময়
নিয়ে
নিজের
বোলিং
অ্যাকশন ঠিক
করার
চেষ্টা
করেছেন,
যা
শেষ
পর্যন্ত সফল
হয়েছে।
নিজের সমস্যার সমাধানের জন্য
সাকিব
অনেকের
পরামর্শ নিয়েছেন, তবে
তিনি
মনে
করেন,
এসব
কাজ
সামনাসামনি করাই
ভালো,
ফোনে
নয়।
সালাহউদ্দিন স্যারের সঙ্গে
ফোনে
কথা
হয়েছে,
কিন্তু
সরাসরি
প্রশিক্ষণ নিলে
হয়তো
আরও
দ্রুত
সমস্যার সমাধান
করা
যেত।
তবে
কঠোর
পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং
ধৈর্যের ফলে
তিনি
শেষ
পর্যন্ত এই
সমস্যার সমাধান
করতে
পেরেছেন। এখন
আবারো
বল
হাতে
মাঠে
নামার
অপেক্ষায় আছেন
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম
বড়
তারকা।

0 Comments