পূর্বের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ছোটখাটো ধাক্কা কাটিয়ে নিউজিল্যান্ড দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা ইতোমধ্যেই সিরিজ জিতে নিয়েছে। এদিন নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা দুর্দান্ত শুরুর মাধ্যমে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান।
সাইফার্ট অল্পের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি মিস করলেও, ফিন অ্যালেন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দ্রুতগতিতে পঞ্চাশ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। মাত্র ১০ ওভারের মধ্যেই স্বাগতিকরা ১৩০ রানের বেশি যোগ করে ফেলে, যা পাকিস্তানের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। যদিও পাকিস্তানি বোলাররা মাঝের ওভারগুলোতে কিছু উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা চাপ তৈরি করেছিল, তবে ব্রেসওয়েলের কার্যকরী ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে শক্তিশালী ২২০/৬ রানের সংগ্রহ এনে দেয়।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান শুরু থেকেই ধাক্কা খায়। নিউজিল্যান্ডের পেসাররা প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল এবং একের পর এক উইকেট তুলে নেয়। পাওয়ারপ্লেতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়ে। তাদের ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো জুটি গড়তে পারেনি এবং শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ নিউজিল্যান্ডের হাতে চলে যায়।
নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে জাকারি ফোল্কস তিনটি উইকেট শিকার করেন, তবে দিনের সেরা বোলার ছিলেন জ্যাকব ডাফি। তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে ম্যাচে ফিরতে কোনো সুযোগই দেননি। পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে এবং তারা বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়।
১১৫ রানের বড় জয়ে নিউজিল্যান্ড দেখিয়ে দিল কেন তারা এই মুহূর্তে এত শক্তিশালী একটি দল। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—সব বিভাগেই অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে তারা এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের জন্য এই হার বড় ধাক্কা, এবং শেষ ম্যাচে সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে নামতে হবে তাদের।
0 Comments